আবেদনের শেষ তারিখ
২৪ অক্টো, ২০২৬
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
প্রত্যাশী একটি সমাজকল্যাণমূলক উন্নয়ন সংস্থা, যা দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যাশী ২০১৭ সালের আগস্ট মাস থেকে কক্সবাজারে মানবিক সাড়াদানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা করে আসছে। অক্সফাম ইন বাংলাদেশের অংশীদারিত্বে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য “টেকসই সাবান উৎপাদন উদ্যোগ” প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সংস্থাটি।
উক্ত প্রকল্পের জন্য একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রজেক্ট ম্যানেজার নিয়োগ করা হবে। প্রজেক্ট ম্যানেজার উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, প্রতিবেদন তৈরি, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং কারিগরি সমন্বয়ের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন। প্রাথমিকভাবে চুক্তির মেয়াদ ২ মাস, যা পরবর্তীতে বার্ষিক ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য।
আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখের মধ্যে career.prottyashi@gmail.com ঠিকানায় তাদের জীবনবৃত্তান্ত পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
প্রয়োজনীয় যোগ্যতা
জাতীয় বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় জীবিকা, দক্ষতা উন্নয়ন বা মানবিক প্রকল্পে অন্তত ৫ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতা।
এনজিও, উন্নয়ন সংস্থা বা মাইক্রো-ক্রেডিট খাতে কাজের অভিজ্ঞতা।
স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যেকোনো বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি (জীবন বিজ্ঞান, রসায়ন, ব্যবসায় প্রশাসন, উন্নয়ন অধ্যয়ন বা সমাজবিজ্ঞানে ডিগ্রি অগ্রাধিকার পাবে)।
বহু-বিভাগীয় প্রজেক্ট টিম পরিচালনা এবং বাজেট ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা।
উৎপাদন অপারেশন, মান নিয়ন্ত্রণ এবং পেশাগত নিরাপত্তার ধারণা।
ইংরেজি ও বাংলায় সাবলীল যোগাযোগ ও প্রতিবেদন লেখার দক্ষতা।
এমএস অফিস সুইট ব্যবহারে পারদর্শী।
দায়িত্বসমূহ
শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সকল প্রকল্প কার্যক্রম তদারকি করা এবং সরকারি ও অন্যান্য অংশীজনদের সাথে প্রধান যোগাযোগ রক্ষা করা।
প্রকল্পের আওতাধীন সাবান তৈরি কার্যক্রমের মান ও দক্ষতা নিশ্চিত করা।
প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়মমাফিক পরিচালনা করা।
প্রকল্প পরিকল্পনা, বাজেট প্রণয়ন এবং মনিটরিং প্রক্রিয়া পরিচালনা করা।
প্রকল্পের সমস্যা সমাধান এবং পরিচালনা ব্যয় কমাতে সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণ করা।
নিয়মিত ফিল্ড ভিজিট ও যোগাযোগের মাধ্যমে অন্যান্য প্রকল্প কর্মীদের তত্ত্বাবধান করা।
অর্থায়নকারী অংশীদার এবং প্রত্যাশীর প্রধান কার্যালয়ের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা।
নিয়মিত প্রোগ্রেস রিপোর্ট এবং বর্ণনামূলক প্রতিবেদন প্রস্তুত করা।
লিঙ্গ ও সামাজিক সমতা এবং এসইএ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা।